খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২৩ আশ্বিন, ১৪৩৩

কেন্দুয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩৫

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কেন্দুয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩৫

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জের ধরে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি দলীয় সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইফরান মিয়ার সঙ্গে সুনু মিয়া ও শাকিলের পক্ষের লোকজনের বিরোধ চলছিল। এর মধ্যে মৎস্যচাষি আব্দুর রহমানের (ইয়ারখান) মাছ পরিবহনে বড় গাড়ি ব্যবহারকে কেন্দ্র করে সুনু ও শাকিলের লোকজনের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়। এ ঘটনায় ইফরান মিয়া আব্দুর রহমানের পক্ষ নেওয়ায় বিরোধ আরও বেড়ে যায়।

এরই জের ধরে বুধবার সকালে সুনু মিয়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইফরান মিয়ার লোকজন তার ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। পরে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে অন্তত ৩৫ জন আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উভয় পক্ষের ১০ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেত্রকোনা ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

সুনু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘স্থানীয় বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই ইফরানের সঙ্গে আমাদের বিরোধ ছিল। আব্দুর রহমানও তার সঙ্গে যোগ দিয়ে আমাদের ওপর হামলা করেছেন।’

তবে আব্দুর রহমানের ছেলে আল মামুন বলেন, ‘মাছ পরিবহনের গাড়ি চলাচলে সুনু ও শাকিল পক্ষের লোকজন বাধা দেওয়ায় তাদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইফরান মিয়া বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।’

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি পেমই তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ দেখভাল করছে।’

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

রামপাল ভূমি অফিসে ঘুষের অভিযোগ, কানুনগোর বিরুদ্ধে মামলা চেয়েও ব্যবস্থা হয়নি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রামপাল ভূমি অফিসে ঘুষের অভিযোগ, কানুনগোর বিরুদ্ধে মামলা চেয়েও ব্যবস্থা হয়নি

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারি সেবায় ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, দালালচক্রের মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণির নামজারি আবেদনে সরকারি নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি সেবাগ্রহীতাদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ।

সম্প্রতি নামজারি কেসের প্রতিবেদন দেওয়ার বিনিময়ে এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে রামপাল উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো মো. আবুল বশারের টাকা নেওয়ার দৃশ্য রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তীর নজরে এলে গত ৬ আগস্ট আবুল বশারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

নোটিশে বলা হয়, দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনকালে নিজ অফিসকক্ষে বসে নামজারি মামলার প্রতিবেদন দেওয়ার বিনিময়ে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে নগদ অর্থ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সংক্রান্ত ৩ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড এবং ৫ মিনিট ২২ সেকেন্ডের দুটি ভিডিওর তথ্যও সংশ্লিষ্ট দপ্তর পেয়েছে।

নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় সরকারি সেবা দেওয়ার বিনিময়ে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগে আবুল বশারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পরে গত ১২ আগস্ট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তথ্য-প্রমাণসহ বাগেরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন অভিযুক্ত কানুনগোর বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য খুলনা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর চিঠি দেন।

তবে অভিযোগ ওঠার পর প্রায় তিন মাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়মের বাইরে বিভিন্ন অজুহাতে তাদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কাগজপত্রে ত্রুটি থাকার কথা বলা হয়। তবে অতিরিক্ত টাকা দিলে একই আবেদনের ফাইলের সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়ে যায় বলে অভিযোগ তাদের।

তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দালালচক্রের মাধ্যমে ভূমি অফিসে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কানুনগো মো. আবুল বশারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি কী বলব, আপনি সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে শোনেন।’ এরপর তিনি ফোনকলটি কেটে দেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি ঘটনার তিন দিন পর তার নজরে আসে। এরপরই আবুল বশারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তার জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় জেলা প্রশাসন বরাবর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি রামপাল উপজেলা ভূমি অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। যারা এ অপকর্মের সঙ্গে জড়িত, তাদের কোনো পরিচয় নেই—তারা অপরাধী। আমি তাদের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং নেব।’

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীকে ইভটিজিং, প্রশাসনের বাদী হয়ে মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:২৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীকে ইভটিজিং, প্রশাসনের বাদী হয়ে মামলা
যোগফল প্রতিবেদক: 

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) পরিসংখ্যান বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করার সময় এক কথিত সাংবাদিকসহ তিনজনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাদের বহন করা দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোপালগঞ্জ সদর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- তাজিম চৌধুরী (১৯), সোহাগ সেন (১৯), সম্পদ বিশ্বাস (২১) এবং ইউসুফ বিশ্বাস (২১)।

এরমধ্যে গ্রেপ্তার সোহাগ সেন নিজেকে দৈনিক আমাদের বাংলা ও ডেইলি প্রেসিডেন্ট টাইমসের জেলা প্রতিনিধি এবং চ্যানেল-এস টেলিভিশনের ক্যামেরাপার্সন হিসেবে নিজের পরিচয় দেয়। আর ইউসুফ বিশ্বাস পলাতক রয়েছেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, সোহাগ সেন, সম্পদ বিশ্বাস ও তাজিম শরীফ নামে তিন যুবক দুটি মোটরসাইকেলে করে ক্যাম্পাসের বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করে। এ সময় ওই শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে ঢুকলে ওই তিন যুবকও ক্যাম্পাসে ঢুকে আবারও উত্ত্যক্ত করতে থাকে। পরে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বিষয়টি টের পেয়ে ওই তিন যুবককে ধরে গণপিটুনি দেয়। এ সময় তাদের কাছে থাকা দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ওই তিন যুবককে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে ৪ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছে ওই ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেজেন্টেশন শেষে ব্যাচের কয়েকজন ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় চারজন বহিরাগত তার এক ব্যাচমেট ছেলেকে ডেকে ভয় দেখিয়ে ওই শিক্ষার্থীর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান। বিষয়টি বুঝতে পেরে তার ব্যাচমেট সেখান থেকে চলে আসেন। পরে তারা বাসায় ফেরার সময় অভিযুক্তরা মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের পিছু নেন। এতে আতঙ্কিত হয়ে তারা অটোরিকশাযোগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন। এ সময় অভিযুক্তরাও তাদের পিছু নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. এস এম আহসান বলেন, ‘ইভটিজিংয়ের যে ঘটনাটি ঘটেছে, এ জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। অবশ্যই এখানে নিরাপত্তাব্যবস্থার একটি ঘাটতি ছিল। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা রয়েছেন, তাদের ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে মামলা করেছি। ওসির সঙ্গেও আমাদের কথা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন এ বিষয়ে খুবই আন্তরিকতা দেখিয়েছে এবং সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।’

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পঞ্চগড় সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ভারতে ফেরত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পঞ্চগড় সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ভারতে ফেরত

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের মালকাডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে সাত ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত তাদের ভারতে ফিরে যেতে হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে মালকাডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে তারা ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যান। তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও একজন নারী ছিলেন। নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে মালকাডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় সাতজনকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা যায়। এ সময় সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা তাদের বাধা দেন। পরে তারা সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান নেন।

দিনভর ওই সাতজন সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করলেও বিজিবি তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়নি। পরে রাতে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে তারা একই সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফিরে যান।

নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, সীমান্তে চোরাচালান, অবৈধ পারাপার, পুশইনসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল.কম